প্রতি মাসে ২০ হাজার টাকা আয় করার উপায় – 100% রিয়েল ইনকাম

আপনি কি প্রতি মাসে নূন্যতম ২০ হাজার টাকা ইনকাম করার চিন্তা করছেন? ভাবছেন কিভাবে আয় করা যাবে মাসে বিশ হাজার টাকা? আজকের আর্টিকালে প্রতি মাসে ২০ হাজার টাকা আয় করার উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করবো।

বাংলাদেশের পেক্ষাপটে ২০ বছর কষ্ট করে পড়াশোনা শেষ করে মাসিক ২০,০০০ টাকা বেতনে একটি চাকরী পেতে আরো ৩/৪ বছর ঘুরতে হয়। দিতে হয় অনেক ইন্টারভিউ। একটা সময় দেখা যায় ৩০ এর উপরে বয়স হয়ে যায় কিন্তু আর্থিক স্বাধীনতা অর্জন করা হয়ে ওঠে না। কিন্তু আপনি যদি ছাত্রজীবন থেকে রিয়েল টাকা ইনকাম করার কথা চিন্তা করেন তাহলে আপনাকে আর এই সমস্যা পোহাতে হবে না।

তাই, আপনার বয়স যদি ২০-২৫ এর ভেতর হয়ে থাকে তাহলে আজকের পোস্টটি অবশ্যই মন দিয়ে পড়বেন। কারন এখানে অনলাইনে এবং অফলাইনে কাজ করে প্রতি মাসে ২০ হাজার টাকা ইনকাম করার উপায় দেখানো হবে।

আর একটা কথা অবশ্যই মাথায় রাখবেন, টাকা কামানোই যদি হয় আপনার মূল উদ্যেশ্য তাহলে “পাছে লোকে কিছু বলে” কথায় কান দেওয়া যাবে না।

কারন, এখানে কিছু ব্যবসার কথা বলবো যেগুলো বাইরে থেকে দেখলে ছোট মনে হতে পারে, কিন্তু বিশ্বাস করেন এসকল ব্যবসা করে আপনি অধিক পরিমাণ লাভ করতে পারবেন। আর অনলাইনে মাসে ২০ হাজার টাকা আয় করার উপায় সম্পর্কে যে কথাগুলো বলবো বলবো সেগুলো কিছু সময় সাপেক্ষ্য হলেও একটা সময় পর আপনার ক্যারিয়ারের জন্য খুব উপকারী হবে।

চলুন বেশি কথা না বাড়িয়ে মূল আলোচনায় প্রবেশ করি।

ঘরে বসে প্রতি মাসে ২০ হাজার টাকা আয় করার উপায়

আমাদের দেশে ফ্রিল্যান্সিং/আউটসোর্সিং খুব ট্রেন্ড একটি পেশা হয়ে দাড়িয়েছে। এর কারন হলো এটি ঘরে বসেই করা যায় এবং অন্যান্য কাজের চেয়ে বেশি টাকা উপার্জন করা যায়। ফ্রিল্যান্সিং বা অনলাইনে কাজ করে বাংলাদেশে অনেক মানুষ আছে যারা মাসে লাখ টাকা আয় করে থাকে। তাদের এই পর্যন্ত যেতে খুব পরিশ্রম এবং সময় ব্যয় করতে হয়েছে।

কিন্তু অনলাইনে মাসে ২০ হাজার টাকা আয় করার অনেকগুলো সহজ উপায় আছে যেগুলো করতে আপনাকে বেশি পরিশ্রম এবং সময় ব্যয় করতে হবে না। তারই কয়েকটি টাকা কামানোর সহজ উপায় এই পর্যায়ে তুলে ধরার চেষ্টা করছি।

কন্টেন্ট রাইটিং

মাসে ২০ হাজার টাকা উপার্জন করার জন্য কন্টেন্ট রাইটিং এর কাজটিকে আমরা প্রথমে রেখেছি। এর কারন হচ্ছে অনলাইনে বিভিন্ন ওয়েবসাইটে কন্টেন্ট রাইটিং করে আয় করার জন্য তেমন বেশি অবিজ্ঞতার প্রয়োজন হয় না। আপনার মাঝে সৃজনশীলতা থাকতে হবে এবং একটি আদর্শ আর্টিকেল লেখার নিয়ম জানতে হবে।

কিভাবে কন্টেন্ট রাইটিং করে ২০ হাজার টাকা প্রতিমাসে আয় করা যায়?

কন্টেন্ট রাইটিং খুব সহজ একটি কাজ এবং মার্কেটে এর চাহিদা প্রচুর। বিভিন্ন ওয়েবসাইটের মালিকগন তাদের ওয়েবসাইটের আর্টিকাল সংখ্যা বাড়ানোর জন্য প্রায়ই বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সিং ওয়েবসাইট এবং সোশ্যাল মিডিয়াতগুলোতে বাংলা কন্টেন্ট রাইটার খুজে থাকে।

তো, আপনি যদি বাংলা আর্টিকাল লেখায় পারদর্শী হোন তাহলে বাংলাদেশের মার্কেটপ্লেসে অনেক কন্টেন্ট রাইটিং কাজ পেয়ে যাবেন। প্রতিটি কন্টেন্ট লিখে দেওয়ার জন্য আপনি পেতে পারেন ৩০০ টাকা থেকে ৫০০ টাকা।

তাহলে প্রত্যেক মাসে যদি ৫০ টা কন্টেন্ট আপনি লিখতে পারেন এবং প্রতিটি কন্টেন্ট এর জন্য ৪০০ টাকা করে পান তাহলে খুব সহজেই মাসে কন্টেন্ট রাইটিং করে ৫০*৳৪০০ = ২০,০০০ টাকা আয় করতে পারবেন।

ব্লগিং

মাসে ২০ হাজার টাকা আয় করার জন্য আপনি বেছে নিতে পারেন ব্লগিং কে। কারন ব্লগিং খুব সৃজনশীল এবং লাভজনক একটি পেশা। যদি ব্লগিং করে সফল হওয়া যায় তাহলে মাসে লাখ টাকা ইনকাম করা কোনো ব্যাপার না।

কিভাবে ব্লগিং করে মাসে বিশ হাজার টাকা আয় করা যায়?

ব্লগিং মানেই হচ্ছে লেখালেখি করা। কিন্তু সেটা কন্টেন্ট রাইটার হিসেবে অন্যের ওয়েবসাইটে লেখালেখি না, নিজের ওয়েবসাইটে লেখালেখি। ব্লগিং করার জন্য প্রথমেই আপনাকে একটি ব্লগ তৈরি করতে হবে। এবং সেখানে একটি বিষয়ের উপর লেখালেখি করতে হবে।

একটি কথা মাথায় রাখবেন, ব্লগিং করে টাকা আয় করতে কিছুটা সময় প্রয়োজন। কারন আপনার ব্লগে নূন্যতম আর্টিকাল প্রকাশ, আর্টিকালের এসইও, ব্লগে ভিজিটর নিয়ে আসা, এবং বিজ্ঞাপন প্রোগ্রামে জয়েন করা এগুলো একটি প্রসেসের মধ্য দিয়ে যেতে হয়। তাই, যদি ভাবেন আজকে ব্লগিং শুরু করে কালকে থেকেই ইনকাম করবেন তাহলে হবে না। আপনাকে মিনিমাম ৬ মাস নীরলস কাজ করে যেতে হবে।

এসইও এক্সপার্ট

শুধুমাত্র বাংলাদেশ না, সারা পৃথিবীতে এসইও এক্সপার্টদের বিশাল চাহিদা রয়েছে। এসইও হলো সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন অর্থাৎ, একটি ওয়েবসাইটকে র‍্যাংক করানোর টেকনিক।

সারা বিশ্বে লক্ষ লক্ষ ওয়েবসাইট আছে এবং ওয়েবসাইটগুলো গুগলে র‍্যাংক করার জন্য এসইও এক্সপার্ট হায়ার করে থাকে। আর এসব কাজগুলো বাংলাদেশ, ভারত এবং পাকিস্তানের মানুষগুলো বেশি মাত্রা করে থাকে। তাই বাংলাদেশি হিসেবে এসইও তে ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ সবচেয়ে বেশি।

বাংলাদেশে একজন নতুন এসইও এক্সপার্ট প্রতি মাসে ২০-৫০ হাজার টাকা ইনকাম করে থাকে। যদি আপনি এসইও এক্সপার্ট হিসেবে ক্যারিয়ার গড়তে চান তাহলে অবশ্যই আপনাকে ডিজিটাল মার্কেটিং কোর্স করতে হবে। তা না হলে আপনি সঠিক গাইডলাইন পাবেন না।

ফ্রিল্যান্সিং

বাংলাদেশের পেক্ষাপটে ফ্রিল্যাসিং কোন ট্রান্ডিং একটি পেশা। বাংলাদেশে বহু মানুষ বিভিন্ন আইটি সেন্টার থেকে ফ্রিল্যান্সিং কোর্স করে একটি নির্দিষ্ট বিষয়ের উপর দক্ষতা অর্জন করছে। এবং সে দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে অনলাইনে ফ্রিল্যাসিং করে মাস শেষে ভালো পরিমানে টাকা আয় করছে।

ফ্রিল্যান্সিং শুরু জন্য প্রথমে আপনাকে দেখতে হবে ফ্রিল্যান্সিং কোন কাজের চাহিদা বেশি এবং সে কাজে খুব ভালো করে দক্ষ হতে হবে। তারপর আপনাকে ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস বাছাই করতে হবে অর্থাৎ আপনি কোথায় কাজ করবেন সেটা বাছাই করুন।

যদি ঠিকঠাক মতো ফ্রিল্যান্সিং দক্ষতা অর্জন করা যায় তাহলে ফ্রিল্যান্সিং শুরুর প্রথম মাস থেকেই ২০ হাজার টাকা আয় করতে পারবেন হবে আশা করা যায়। এবং প্রতি মাসে সে আয় দ্বিগুণ হারে বাড়তে পারে।

ভিডিও কন্টেন্ট ক্রিয়েটর

বর্তমান সময়ে মানুষ ভিডিও দেখতে বেশি পছন্দ করে। তাই, অন্যসব কন্টেন্ট এর চেয়ে ভিডিও কন্টেন্ট এ বেশি অডিয়েন্স পাওয়া যায়।

মাসে ২০ হাজার টাকা আয় করার জন্য আপনি ভিডিও কন্টেন্ট তৈরি করতে পারেন। আর এ ভিডিও কন্টেন্টগুলো ফেসবুক/ইউটিউবে আপলোড করে টাকা উপার্জন করা যেতে পারে।

এক গবেষনায় দেখা যায়, মানুষ এখন লম্বা ভিডিওর চেয়ে খাটো ভিডিও বেশি পছন্দ করে। তাই, সোশ্যাল মিডিয়াগুলোতে শর্ট ভিডিও দেখার অপশন চালু করা হয়েছে সম্প্রতি।

মাসে ১০ হাজার টাকা আয় করার উপায়

ডাটা এন্ট্রি

নতুন অবস্থায় হলে ডাটা এন্ট্রি করে মাসে ২০ হাজার টাকা আয় করা বুদ্ধিমানের কাজ হবে।কারন ডাটা এন্ট্রির কাজ করা অত্যান্ত সহজ এবং আপনার কাছে শুধুমাত্র একটি কম্পিউটার এবং ইন্টারনেট সংযোগ থাকলেই আপনি আপনি বাসায় বসেই ডাটা এন্ট্রি করে আয় করতে পারবেন।

বিভিন্ন প্রকারের ডাকা এন্ট্রির কাজ আছে কপি-পেস্ট, স্পেলিং চেকিং, MS Word, MS Excel, ই-কমার্স প্রোডাক্ট লিস্টিং ইত্যাদি। অনলাইনে ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে এই কাজগুলো করে খুব সহজেই প্রতিমাসে ২০-৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত আয় করা যায়।

ডাটা এন্ট্রি করে ঘরে বসে আয় করুন ১৫০০০-২০০০০ টাকা প্রতি মাসে একদম সহজ।

প্রতি মাসে ২০ হাজার টাকা আয় করার ব্যবসা

পাখি পালন

যদি ব্যবসা করে প্রতিমাসে বিশ হাজার টাকা কামাতে চান তাহলে প্রাথমিক অবস্থায় পাখি পালন করা শুরু করতে পারেন। এতে যেমন আপনার বিনিয়োগ কম লাগবে তেমন এই ব্যবসা থেকে অধিক লাভ করতে পারবেন।

পাখি পালা অনেক সহজ। আপনার কাছে ৫ হাজার টাকা থাকলেই এটি আপনি শুরু করতে পারবেন। আর পাখি পালার আরেকটি লাভ হচ্ছে বিদেশী পাখিগুলো প্রতি মাসেই অথবা ২ মাস পর পর ডিম বাচ্ছা দিয়ে থাকে।

পাইকারী ব্যবসা

বিভিন্ন ধরনের পাইকারী ব্যবসার মধ্যে আছে কাপড়ের পাইকারী ব্যবসা, কাচা-বাজার পাইকারী ব্যবসা, মুদী সামগ্রি পাইকারি ব্যবসা সহ আরো বিভিন্ন পাইকারী মালামাল আপনি বিক্রি করার মাধ্যমে এই ব্যবসা চালাতে পারেন।

জামদানী কাপড়ের জন্য আপনাকে নারায়নজঞ্জ যেতে হতে পারে। যদি এই ব্যবসাটি ইসলামপুর মার্কেটে করতে পারেন তাহলে খুব অল্পসময়েই আপনি সফল হতে পারবেন। আর কাচামালের পাইকারী ব্যবসা আপনি কৃষকদের কাছ থেকে কাচামাল কিনে আপনি কাওরানবাজার সহ ইত্যাদি বিভিন্ন পাইকারী মার্কেটে বিক্রি করতে পারেন।

আধুনিক টি স্টল/চা বিক্রির ব্যবসা

চা আমাদের সবার নিত্যদিনের চাহিদা। ছোট থেকে বড় সবাই চা খেতে ভালোবাসি। আপনি জেনে অবাক হবেন একটি চা বানাতে যত খরচ হয় তার থেকে দ্বিগুন দামে তা বিক্রি করা যায়।

প্রতিকাপ চায়ের দাম যদি ১০ টাকা হয় তাহলে সেটি বানাতে আপনার ৫ টাকার বেশি লাগবে না। ফলে আপনি যদি দৈনিক ১০০-১৫০ কাপ চা বিক্রি করতে পারেন তাহলে প্রতিমাসে আপনার ২০ হাজার টাকা আয় করা কোনো ব্যপার হবে না। আর, যদি পজিশন মতো চায়ের দোকার দেওয়া যায় তাহলে প্রতিদিন ২০০০ কাপ চা বিক্রি করা আসলে কোনো কঠিন কাজ না।

আর আপনি যদি উন্নত রেস্ট্রোরেন্টগুলোর মতো একটি চায়ের স্টল দেন এবং সেখানে ২০-২৫ প্রজাতির চা আইটেম রাখেন তাহলে আপনি খুব সহজেই জনপ্রিয়তা পাবেন এবং আপনি তাড়াতারি সফল হতে পারবেন।

জুস বার/শরবত বিক্রির ব্যবসা

কম টাকায় শুরু করা যায় এমন একটি ব্যবসার কথা যদি বলতে তাহলে শরবত বিক্রির ব্যবসা হতে পারে অন্যতম। সাধারন যারা রাস্তায় শরবত বিক্রি করে থাকে তারা মাসে ২০-৫০ হাজার টাকা ইনকাম করতে পারে।

কিন্তু সেটি যদি আপনার আত্নসম্মানে লাগে তাহলে আপনি একটি দোকান নিয়ে সেখানে শরবতের পাশাপাশি বিভিন্ন আইটেমের জুস রাখতে পারেন। ছোট পরিসরে জুস বারের ব্যবসা করলে আপনার বেশি টাকা খরচ হবে না এবং মাসে বিশ থেকে ৩০ হাজার টাকা অনায়াসেই কামাতে পারবেন।

আরো পড়ুনঃ

প্রশ্নবলী ও প্রশ্নোত্তর (FAQs)

প্রতি মাসে ২০ হাজার টাকা আয় করতে কত টাকা পুঁজি লাগবে?

অনেক মানুষ আছে মাত্র ৫ হাজার টাকা পুজি নিয়ে মাসে ২০ হাজার টাকা আয় করতে পারে। আবার অনেকে আছে ১ লাখ টাকা পুজি খাটিয়ে মাসে ২০ হাজার টাকা আয় করতে হিমসিম খায়। তাই, অভিজ্ঞদের সাজেশন অনুযায়ী কম টাকা পুজি নিয়ে কোনো ব্যবসা শুরু করা উচিত। এবং লাভ্যংশ থেকে আপনার পুজি ধীরে ধীরে বৃদ্ধি করা উচিত।

আমার কাছে এক টাকাও পুঁজি তাহলে আমি কোনটা করবো?

আপনার কাছে যদি পুঁজি না থেকে থাকে তাহলে আপনি অনলাইনে কন্টেন্ট রাইটিং করতে পারেন। কন্টেন্ট রাইটিং করতে এক টাকা পুঁজি লাগে না এবং এটি শিখতে তেমন সময় লাগে না। এক রাতেই আপনি কন্টেন্ট রাইটিং সম্পর্কে বিস্তারিত শিখে ফেলতে পারবেন।

অনলাইন নাকি অনলাইন? মাসে ২০ হাজার টাকা ইনকামের জন্য কোন রাস্তা বেছে নেওয়া উচিত?

আপনার কাছে যদি বেশি পুঁজি থাকে এবং এবং বাইরে দৌড়াদৌড়ি এবং ব্যবসার টেকনিক ভালো বুঝে থাকেন তাহলে আপনার অফলাইন ব্যবসাকে বেছে নেওয়া উচিত হবে। আর যদি আপনি কম টাকায় শুরু করে ঘরে বসে টাকা আয় করতে চান তাহলে অনলাইন উপায়গুলো থেকে একটি বেছে নেওয়া আপনার উত্তর হবে।

সর্বশেষ

আশা করি কিভাবে মাসে ২০ হাজার টাকা আয় করা যায় তার কয়েকটি আইডিয়া আপনাকে দিতে পেরেছি। এসব আইডিয়াগুলো কাজের লাগানোর একমাত্র বাধা হতে পারে আপনার পুজি, অলসতা এবং ভয়। তাই, আমি বললো ভয়কে দূরে রেখে যদি সাহস করে অল্প কিছু টাকা পুজি নিয়ে যেকোনো একটি কাজ শুরু করেন এবং ঠিকমতো পরিশ্রম করতে পারেন তাহলে আপনি সফল হবেনই।

প্রতি মাসে ২০ হাজার টাকা আয় করার উপায় নিয়ে আজকের আর্টিকালটি আপনার কেমন লেগেছে তা জানাতে ভুলবেন না।

আরো পড়ুনঃ

Leave a Comment