কন্টেন্ট রাইটিং কি ও কত প্রকার? কন্টেন্ট রাইটিং এ দক্ষ হবার উপায়

একটা সময় ছিল যখন লেখালেখি থেকে আয় করা বলতে মানুষ শুধু বই প্রকাশ করাকে বুঝাতো। কিন্ত বর্তমান ডিজিটাল যুগে বই প্রকাশ না করে অনলাইনে ছোট ছোট কন্টেন্ট লিখেও আয় করা যায়। স্কুল কলেজের ছাত্র-ছাত্রী থেকে শুরু করে কর্মজীবী, সব ধরণের মানুষই কন্টেন্ট রাইটিং করতে পারে। এই আর্টিকেলে থেকে আমরা জানতে পারবো, কন্টেন্ট রাইটিং কি ও কত প্রকার? কন্টেন্ট রাইটিং এ ভালো করার কিছু কৌশল, কন্টেন্ট রাইটিং থেকে আয় করার জন্যে সেরা কিছু প্লাটফর্ম ইত্যাদি।

কন্টেন্ট কি?

কন্টেন্ট কথাটির অর্থ হলো বিষয়বস্তু। আমরা গুগল করলে বা যে কোনো ওয়েবসাইট ভিজিট করলে বিভিন্ন বিষয়ের উপর যে লেখাগুলো দেখতে পাই সেগুলোই এক একটি কন্টেন্ট। অনলাইনে সাধারণত চার ধরণের কন্টেন্ট পাওয়া যায়। সেগুলো হলোঃ

১। টেক্সট কন্টেন্টঃ লেখার মাধ্যমে তৈরি কন্টেন্ট। যেমনঃ আর্টিকেল। 

২। অডিও কন্টেন্টঃ রেকর্ডিং বা ভয়েসের মাধ্যমে তৈরি কন্টেন্ট। যেমনঃ মিউজিক ভিডিও, অডিও গান, রিংটোন ইত্যাদি।

৩। ভিডিও কন্টেন্টঃ ভিডিওর মাধ্যমে তৈরি কন্টেন্ট। যেমনঃ ইউটিউব ভিডিও, ওয়েব সিরিজ, মুভি ইত্যাদি।

৪। ইমেজ কন্টেন্টঃ ছবি বা ইমেজের মাধ্যমে তৈরি কন্টেন্ট। যেমনঃ লোগো, টেমপ্লেটস ইত্যাদি 

সুতরাং কোনো বিষয়বস্তু যেমন টেক্সট, ইমেজ, অডিও, বা ভিডিও ইত্যাদি বিষয়ের উপর তথ্য উপস্থাপন করাকে কন্টেন্ট বলে। 

কন্টেন্ট রাইটিং কি?

কন্টেন্ট রাইটিং বলতে আর্টিকেল রাইটিং ছাড়াও ব্লগ পোস্ট, ভিডিও স্ক্রিপ্ট বা সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্মগুলোর জন্যে তৈরিকৃত বিস্তারিত ও তথ্যবহুল রচনাকে বুঝায়। 

যে কোনো কন্টেন্ট লেখার সময় একটি ফিক্সড টপিক বা কীওয়ার্ড (keyword)  নির্বাচন করে লিখতে হয়। কন্টেন্টটির সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করার জন্যে এই কীওয়ার্ড এর মাধ্যমে গুগল রিসার্চ করতে হয়। কীওয়ার্ড দিয়ে গুগল রিসার্চ করে যে কোনো কন্টেন্ট এর সম্পর্কে খুব সহজেই লেখা যায়। 

কন্টেন্ট রাইটিং এর প্রকারভেদ – কন্টেন্ট রাইটিং কত প্রকার

কন্টেন্ট রাইটিং বিভিন্ন প্রকারের আছে, যেমন;

১। ব্লগ রাইটিং (Blog Writing)

২। সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট রাইটিং (Social Media Post Writing)

৩। কপি রাইটিং (Copy Writing)

৪। নিউজ কন্টেন্ট রাইটিং (News Content Writing)

৫। স্ক্রিপ্ট রাইটিং (Script Writing)

৬। ক্রিয়েটিভ রাইটিং (Creative Writing) 

৭। টেকনিক্যাল কন্টেন্ট রাইটিং ( Technical Content Writing)

৮। প্রোডাক্ট রিভিউ রাইটিং (Product review Writing)

৯। প্রোডাক্ট ডেসক্রিপশন রাইটিং (Product description Writing)

১০। একাডেমিক কন্টেন্ট রাইটিং (Academic Content Writing)

১১। ই-মেইল রাইটিং ( E-mail Writing)

১২। ট্রান্সলেশন (Translation)

১৩। অ্যাফিলিয়েট কন্টেন্ট রাইটিং (Affiliate Content Writing)

১৪। ই-বুক রাইটিং (E-Book Writing) 

এখান থেকে সর্বাধিক ব্যবহৃত কিছু কন্টেন্ট নিয়ে এখন আমরা আলোচনা করব। 

১। সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট রাইটিংঃ স্যোশাল মিডিয়াতে যা পোস্ট করা হয় সেটাই সোশ্যাল মিডিয়া কন্টেন্ট। কোম্পানিগুলো তাদের প্রচারণার জন্যে ফেসবুক, টুইটার, ইন্সটাগ্রামে তাদের পণ্য বা সার্ভিসের উপর বিভিন্ন রকমের কন্টেন্ট পোস্ট করে থাকে। পোস্টগুলো ছোট ছোট হলেও মজার ও আকর্ষণীয় হয়ে থাকে। 

২। ব্লগিংঃ ব্লগিং সাধারণত যে কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ের উপর করা হয়। ব্লগিং পেজে লেখা, ছবি, ভিডিও ইত্যাদির সমন্বয়ে কন্টেন্ট তৈরি করা হয়। ব্লগিং এর আর্টিকেলগুলো অনেক তথ্যবহুল হয়ে থাকে।

৩। কপিরাইটিংঃ বিভিন্ন কোম্পানির প্রোডাক্টের মার্কেটিং এবং বিজ্ঞাপনের জন্যে যে কন্টেন্ট লেখা হয় সেগুলোকে কপিরাইটিং বলে। কপিরাইটিং এর মাধ্যমে ক্রেতাকে পণ্যের গুনগত মান সম্পর্কে ধারণা দেয়ার পাশাপাশি কেনার জন্যেও উদ্বুদ্ধ করা হয় যা কোম্পানির সেল বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। 

৪। নিউজ কন্টেন্ট রাইটিংঃ  নিউজ ওয়েবসাইট, সোশ্যাল মিডিয়াতে বিভিন্ন ধরণের নিউজ পেজ, অনলাইন নিউজ পোর্টাল ইত্যাদি মাধ্যমগুলোতে প্রতিদিনের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ঘটনাবলী নিয়ে যে কন্টেন্ট লেখা হয় সেগুলোই নিউজ কন্টেন্ট রাইটিং। বিভিন্ন ঘটনাকে ছোট ছোট আর্টিকেলের মাধ্যমে উপস্থাপন করা হয় এখানে। 

৫। স্ক্রিপ্ট রাইটিংঃ স্ক্রিপ্ট রাইটিং হচ্ছে নাটক, সিনেমার জন্যে জন্যে কন্টেন্ট তৈরি করা। বর্তমানে স্ক্রিপ্ট রাইটারদের অনেক চাহিদা রয়েছে। আকর্ষণীয় গল্প দিয়ে স্ক্রিপ্ট সাজালে অনেক উচ্চমূল্যে বিক্রয় করা যায় নির্মাতাদের কাছে। 

৬। ক্রিয়েটিভ রাইটিংঃ বিভিন্ন গল্প, কবিতা ইত্যাদি সৃজনশীল লেখাকে ক্রিয়েটিভ রাইটিং বলে। ক্রিয়েটিভ রাইটিং ওয়েবসাইট অথবা ব্লগের ভিজিটর বাড়াতে সাহায্য করে। 

৭। টেকনিক্যাল কন্টেন্ট রাইটিংঃ সাধারণত ব্লগগুলিতে টেকনিক্যাল কন্টেন্ট বা প্রযুক্তিগত বিষয় নিয়ে বেশি লেখা হয়। বিভিন্ন ধরণের সফটওয়্যার, প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ ইত্যাদি প্রযুক্তি বিষয়ক খুঁটিনাটি নিয়ে লেখা হয়। 

৮। প্রোডাক্ট রিভিউ রাইটিংঃ প্রোডাক্ট রিভিউ হলো পণ্যের ব্যাপারে বিস্তারিত তথ্য বায়ারদের কাছে উপস্থাপন করা। বর্তমানে প্রোডাক্ট রিভিউ রাইটিং এর চাহিদা সবচেয়ে বেশি। অনলাইন প্লাটফর্মগুলোতে অহরহ প্রোডাক্ট রিভিউ এর জন্যে রাইটার চেয়ে বিজ্ঞাপন দেখা যায়। 

৯। প্রোডাক্ট ডেসক্রিপশন রাইটিংঃ প্রোডাক্ট ডেসক্রিপশন মূল উদ্দেশ্য হলো প্রোডাক্টের সুবিধা ও ভালো দিক সম্পর্কে কাস্টমারদের ধারণা দেয়া যাতে তারা প্রোডাক্টটি কিনতে উৎসাহ পায়। 

১০। একাডেমিক কন্টেন্ট রাইটিংঃ একাডেমিক কন্টেন্ট অন্যান্য কন্টেন্ট এর থেকে আলাদা। এর একটি সুনির্দিষ্ট কাঠামো আছে। শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীদের জন্য বিভিন্ন প্রকার শিক্ষামূলক বিষয়বস্তু নিয়ে লেখার পাশাপাশি কখনো কখনো তাদের জন্যে পাঠ পরিকল্পনা ও নির্দিষ্ট বিষয়বস্তু নিয়ে গবেষণার ও প্রয়োজন হয়। 

কন্টেন্ট রাইটিং-এ দক্ষ হবার উপায় 

কন্টেন্ট রাইটিং এ দক্ষতা অর্জন করতে হলে কিছু কৌশল অবলম্বন করতে হয়। ক্রিয়েটিভিটি বজায় রেখে কন্টেন্টকে সহজে বোধগম্য করার জন্যে কিছু কৌশল নিচে দেওয়া হলো

Niche নির্বাচনঃ শুরুতে আপনাকে একটি নিশ বা ক্যাটাগরি নির্বাচন করতে হবে। অর্থাৎ কোন বিষয় নিয়ে আপনি লিখতে চান। বিষয়বস্তু নির্বাচন খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি কাজ। কারণ যে বিষয়ে আপনার ধারণা নেই, সেটা নিয়ে লিখতে গেলে আপনার ব্যর্থ হবার সম্ভাবনা শতভাগ। 

বিভিন্ন প্রকারের নিশ আছে, যেমনঃ টেকনোলজি, হেলথ, এডুকেশন, ফ্যাশন অ্যান্ড লাইফস্টাইল, স্পোর্টস, ইত্যাদি। যে বিষয়ের উপর আপনার ভালো জ্ঞান আছে, যেটা নিয়ে লিখতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করবেন, সেটা নিয়েই লেখা শুরু করবেন। 

পোর্টফোলিও তৈরি করাঃ নিশ নির্বাচন হয়ে গেলে, ওই টপিকের উপর ২/৩ টি আর্টিকেল লিখে পোর্টফোলিও তৈরি করতে হবে যেটা আপনি পরবর্তীতে ক্লায়েন্টকে স্যাম্পল হিসেবে দেখাতে পারবেন। 

এসইও ফ্রেন্ডলী কন্টেন্টঃ আপনার কন্টেন্টকে সার্চ ইঞ্জিন র‍্যাংকিং এর প্রথমে আনতে হলে গুগল এর এলগরিদম অনুযায়ী এসইও করতে হবে। এজন্যে এসইও এর কিছু নিয়ম ফলো করতে হবে। এসইও ফ্রেন্ডলি কন্টেন্ট লিখতে পারলে যে কেউ সহজেই আপনার লেখা সার্চ ইঞ্জিনে খুঁজে পাবে। 

আকর্ষণীয় হেডলাইন নির্বাচন করাঃ হেডলাইন আকর্ষণীয় হতে হবে। ক্লায়েন্ট অথবা ভিজিটর আপনার হেডলাইন দেখে আকৃষ্ট হলে তবেই মূল কন্টেন্টটি পড়তে চাইবে।

ভূমিকা লেখাঃ লেখার শুরুতে যে টপিক নিয়ে আপনি লিখবেন সেটার সম্পর্কে সুন্দর ও হৃদয়গ্রাহী ভূমিকা লিখতে হবে। কারণ ভূমিকা থেকেই বোঝা যাবে আপনি কি নিয়ে লিখছেন আর লেখার মান কেমন। 

মূল অংশঃ মুল অংশটি সহজ ভাষায় ভালোভাবে ব্যাখ্যা দিতে হবে যেন পাঠক তা পড়া মাত্রই বুঝতে পারে। সহজে বোধগম্য করার জন্যে নিচের নিয়মগুলো ফলো করতে পারেন।

১। প্যারাগুলো ছোট ছোট করে লিখতে হবে। কারণ প্যারা বেশি বড় হলে পাঠকে বিরক্ত হতে  পারে।।

২। সম্ভব হলে প্রতিটি প্যারায় হেডিং ব্যবহার করুন। প্রথম হেডিংকে h1, দ্বিতীয় হেডিংকে h2 এভাবে সাজান। 

৩। গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলোতে বুলেট পয়েন্ট অথবা কোটেশন ব্যবহার করুন। তাহলে পাঠকের দ্রুত খুঁজে পেতে সহজ হবে।

৪। কোন কিছু বুঝাতে হলে উদাহরণ ব্যবহার করুন, পাঠক সহজে বুঝতে পারবে। 

৫। যে পয়েন্টগুলো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সেগুলোকে বোল্ড অথবা আন্ডার-লাইন করে দিন যেন অন্য তথ্যগুলো থেকে সেগুলো আলাদা ভাবে বোঝা যায়। 

ছবি ও ভিডিওর ব্যবহারঃ কন্টেন্ট এর মাঝে মাঝে ছবি অথবা ভিডিও ব্যবহার করলে সেটি আরো  আকর্ষণীয় হবে পাঠকের কাছে এবং তারা আরো গুরুত্ব সহকারে পড়বে। 

কন্টেন্টকে জনপ্রিয় করতে কিছু টিপস

আপাতদৃষ্টিতে কন্টেন্ট রাইটিং সহজ কাজ বলে মনে হলেও, এতে দক্ষ হওয়ার জন্যে প্রচুর অনুশীলন প্রয়োজন। ইংরেজি ও বাংলা, দুই ভাষার রাইটারদেরই চাহিদা আছে। কন্টেন্টগুলো এমনভাবে লিখতে হবে যেন পাঠক পড়া মাত্রই আকৃষ্ট হয়। ভালো রাইটার হতে চাইলে নিচের দেয়া কিছু টিপসগুলো ফলো করতে হবে।

১। সব ধরণের বিষয় নিয়ে লেখা উচিত নয়। আপনার যদি সব ধরণের নিশ নিয়ে কাজ করার যোগ্যতা থাকে তারপরও যে কোনো একটা ফিক্সড টপিক বেছে নেয়া উচিত যেটা আপনার ক্যারিয়ার গঠনে সহায়ক হবে।

২। সৃজনশীলতা বৃদ্ধি করতে হবে। ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরগুলো এখন প্রচুর প্রতিযোগিতা-পূর্ণ সেক্টরে পরিণত হয়েছে। আর এই প্রতিযোগিতাই টিকে থাকতে হলে যোগ্যতা ও দক্ষতা প্রমাণের জন্যে আপনাকে সৃজনশীল হতে হবে। 

৩। যে কোন বিষয় নিয়ে লেখার আগে সেটা নিয়ে বারবার রিসার্চ করতে হবে। একই টপিকের উপর লেখা বিভিন্ন ব্লগের কন্টেন্ট গুলো পড়তে হবে ধারণা নেয়ার জন্যে। 

৪। দিনে অন্তত একশত শব্দ হলেও লিখতে হবে। নিজের লেখাগুলো বারবার বিশ্লেষণ করতে হবে। কি কি ভুল আছে তা খুঁজে বের করতে হবে। এভাবে আপনার দক্ষতা আরো বৃদ্ধি পাবে এবং লেখনীতে সৌন্দর্য ফুটে উঠবে।

৫। শব্দের সঠিক প্রয়োগ সম্পর্কে জানতে হবে। সঠিক স্থানে সঠিক শব্দ প্রয়োগ লেখার সৌন্দর্যকে বৃদ্ধি করে।

৬। ইংরেজিতে কন্টেন্ট লেখার ক্ষেত্রে অবশ্যই ইংরেজি ভাষা এবং গ্রামার সম্পর্কে যথেষ্ঠ পারদর্শী হতে হবে। কারণ ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসেগুলোতে সব সময় ইংরেজি ভাষা ব্যবহার করা হয়। ইংরেজি না জানলে আপনি এখানে কাজ করতে পারবেন না। 

৭। কম্পিউটার টাইপিং এ দক্ষ হতে হবে। 

৮। বিভিন্ন ব্লগ ও ওয়েবসাইটগুলোতে নিয়মিত ভিজিট করে সেখানকার লেখা গুলো পড়তে হবে। পড়ার অভ্যাস আপনাকে ভালো লেখক হতে সাহায্য করবে।

কন্টেন্ট রাইটিং এর সুবিধাঃ

কন্টেন্ট রাইটিং এর সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো কোনো রকম ইনভেস্ট কিংবা প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ ছাড়ায় আপনি ক্যারিয়ার গড়তে পারবেন। এছাড়া এর আরো কিছু সুবিধা রয়েছে। যেমনঃ

  • খুব বেশি শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রয়োজন নেই। এস এস সি কিংবা এইচ এস সি পাশ করেও আপনি রাইটিং এর কাজ শুরু করতে পারেন। 
  • যুবক থেকে মধ্য বয়সী যে কোনো বয়সের মানুষ, যে কোনো সময় কাজ শুরু করতে পারবে।
  • ৯-৫ টা জবের ঝামেলা নেয়, ইচ্ছেমত যখন খুশি কাজ করতে পারবেন। 

কন্টেন্ট রাইটিং-এ ক্যারিয়ার গড়ার জন্য জনপ্রিয় প্লাটফর্মঃ

ইংরেজিতে রাইটিং এর জন্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলো হলোঃ

বাংলাতে কন্টেন্ট রাইটিং এর জন্যে অনলাইন মার্কেটপ্লেস তেমন নেই। তবে কিছু ব্লগ আছে যেখান থেকে কন্টেন্ট রাইটিং করে আয় করতে পারবেন। সবচেয়ে জনপ্রিয় অনলাইন ব্লগগুলোর নাম এখানে দেয়া হলোঃ

পরিশেষে

উপরে উল্লিখিত কৌশল ও টিপসগুলো অনুসরণ করলে আশা করা যায় কন্টেন্ট রাইটিং নিয়ে ক্যারিয়ার গড়তে আর সমস্যা হবে না। একবার দক্ষতা অর্জন করলে আপনাকে আর পেছনে তাকাতে হবে না। কন্টেন্ট রাইটিং নিয়ে আর কোন প্রশ্ন থাকলে নিচের কমেন্ট বক্স কমেন্ট করতে পারেন। 

Leave a Comment