এসইও

Keyword research কি এবং কিওয়ার্ডের প্রকারভেদ

যে শব্দ লিখে গুগল বা অন্য কোনো সার্চ ইঞ্জিনে সার্চ করা হয় তাকে keyword বলে। অনেক ধরনের কি-ওয়ার্ড রয়েছে। আবার কিছু কি-ওয়ার্ড মাসে খুব কম সংখ্যকবার সার্চ করা হয় আবার কিছু কি-ওয়ার্ড অনেক বেশি সংখ্যক সার্চ করা হয়। আজকের এই আর্টিকালের কি-ওয়ার্ড বিভিন্ন প্রকারভেদ এবং কি-ওয়ার্ড রিসার্চ সম্পর্কে আলোচনা করবো।

অভিপ্রায়ের উপর ভিত্তি করে কি-ওয়ার্ডের প্রকারভেদ

অনেক ধরনের কি-ওয়ার্ড রয়েছে। এর মধ্যে কিছু আছে কমার্সিয়াল কিছু আছে নন-কমার্সিয়াল আবার কিছু আছে লং টেইল আবার কিছু আছে জেনেরিক কি-ওয়ার্ড। তো চলুন ধাপে ধাপে আলোচনা করি।

অভিপ্রায়ের উপর ভিত্তি করে কি-ওয়ার্ড ২ প্রকার।

  1. commercial
  2. Non-commercial

commercial Intent keyword

কমার্স বা অর্থনীতির সাথে জড়িত সকল কি-ওয়ার্ড হচ্ছে commercial Intent keyword. এ-সকল কি-ওয়ার্ডের সাথে পণ্য বেচা-কেনার বিষয়টি জড়িত। সাধারনত কোনো এফিলিয়েট সাইটে বা বিভিন্ন ই-কমার্স ওয়েবসাইটে এই কমার্সিয়াল কি-ওয়ার্ডগুলো ব্যবহৃত হয়।

উদাহরনঃ

  • Pizza price 2020
  • Man shirt review
  • Samsung mobile under 20
  • Best food review

মানুষ কোনো কিছু ক্রয় করার উদ্দেশ্যে এসব কমার্সিয়াল কি-ওয়ার্ডগুলো লিখে সার্চ করে। আপনি যখন এসইওতে কাজ করতে যাবেন তখন অবশ্যই লক্ষ রাখতে হবে যে আপনার ক্লায়েন্টের ওয়েবসাইটটি কি কমার্সিয়াল নাকি নন-কমার্সিয়াল । যদি ওয়েবসাইটটি কোনো কমার্সিয়াল সাইট অর্থাৎ পণ্য বেচা-কেনার সাথে জড়িত থাকে তাহলে আপনাকে কমার্সিয়াল কি-ওয়ার্ড খুজে বের করতে হবে।

ওয়েবসাইটের উপর নির্ভর করে আপনাকে কিওয়ার্ড রিসার্চ করা উচিত।

Non-commercial Intent keyword

মানুষ যখন কোনো কিছু জানার জন্য কি-ওয়ার্ড লিখে সার্চ করে তখন থাকে নন-কমার্সিয়াল ইন্টেন্ট কি-ওয়ার্ড বলে।

এ ধরনের কি-ওয়ার্ডের শুরুতে How to, What is, Who is, ইত্যাদি প্রশ্নবোধক শব্দ থাকতে পারে।

নন-কমার্সিয়াল কি-ওয়ার্ডের উদাহরণ হলোঃ

  • How to create a website?
  • what is Love?
  • Who is Shakib Al Hasan? ইত্যাদি।

এই ধরনের কি-ওয়ার্ড নিয়ে কাজ করতে গেলে কন্টেন্টের মধ্যে অনেক ইনফরমেশন যুক্ত করতে হয় যাতে করে রিডার ভালো ভাবে একটি আর্টিকাল থেকেই সবকিছু জেনে নিতে পারে। যার বেশি ইনফরমেশন যুক্ত করলে এসইও করে গুগলে প্রথম পেইজে আসা সহজ ব্যপার হয়ে যায়।

দৈর্ঘের উপর ভিত্তি করে কি-ওয়ার্ডের প্রকারভেদ

দৈর্ঘের উপর ভিত্তি করে কি-ওয়ার্ড ৩ প্রকার। যথাঃ

  1. Generic Keyword
  2. Board Match Keyword
  3. Exact Match Keyword

Generic Keyword/Head keyword

জেনেরিক বা হেড কি-ওয়ার্ড হচ্ছে প্রধান কি-ওয়ার্ড। অর্থাৎ, আপনি যদি মোবাইল ইন্ড্রাষ্ট্রিজের কথা ভাবেন তাহলে Mobile Phone হলো জেনেরিক কি-ওয়ার্ড।

যেহেতু এসকল কি-ওয়ার্ড অনেক এরিয়া জুড়ে বিস্তৃত সেহেত এর গ্রাহকের সংখ্যাও অনেক বেশি। অর্থা সারা মাসের হিসাব করলে অনেক অনেক মানুষ এই Mobile Phone লিখে গুগলে সার্চ করে। তাই এই সকল কি-ওয়ার্ডের কম্পিটিশন অনেক বেশি হয় এবং চাইলেই এই ধরনের কি-ওয়ার্ড দিয়ে র‍্যাংকে আশা সম্ভব না। কিন্ত, যদি টাকা খরচ করার মন মানষিকতা থাকে তাহলে এই কি-ওয়ার্ডগুলো দিয়েও র‍্যাংক করানো যায়। তবে, তা অনেক কষ্টসাধ্য ব্যাপার।

Board Match Keyword

এসকল কি-ওয়ার্ডগুলো জেনেরিক কি-ওয়ার্ড থেকে একটু দৈর্ঘে বড় হয়ে থাকে। এবং এই কি-ওয়ার্ডগুলো পুরো একটি ইন্ড্রাষ্ট্রিজকে বুঝায় না। বরং, বর্ড ম্যাচ কি-ওয়ার্ড দ্বারা কোনো একটি ইন্ড্রাষ্ট্রিজের যেকোনো একটি প্রতিষ্ঠানের যাবতীয় সমস্ত বিষয়বস্তুকে বোঝানো হয়। উদাহরনস্বরূপ Samsung Mobile phone

এখানে শুধু মাত্র Samsung কম্পানির যত মোবাইল আছে সবগুলোকেই বুঝানো হয়েছে। কেউ যদি এই কি-ওয়ার্ডটি লিখে সার্চ করে তাহলে সেমসাঙ্গ কম্পানির যত মোবাই রয়েছে সবগুলো ফলাফল সার্চ ইঞ্জিন রেজাল্ট পেইজে প্রদর্শিত হবে।

Exact Match Keyword/Long-tail keyword

এসকল কি-ওয়ার্ড দ্বারা একটি নির্দিষ্ট ইন্ড্রাষ্টিজের নির্দিষ্ট কম্পানির নির্দিষ্ট পণ্যকে বুঝায়। আমরা যদি মোবাইল ইন্ড্রাষ্টিজের কথাই চিন্তা করি তাহলে Exact Match Keyword হলো Samsung m51 mobile phone

এই সকল কি-ওয়ার্ডগুলো প্রধানত ৪ থেকে ৭ টি শব্দের মধ্যে হয়ে থাকে। একটু বড় হওয়ার কারণে একে Long-tail keyword নামেও ডাকা হয়। যেহেতু এসকল কি-ওয়ার্ডের সীমানা নির্দিষ্ট সেহেতু অন্য সকল কি-ওয়ার্ড থেকে এই কি-ওয়ার্ডগুলো খুব কম পরিমানে গুগলে সার্চ করা হয়। তাছাড়া এগুলো দিয়ে কোনো আর্টিকাল বা সাইট র‍্যাংক করানো অপেক্ষাকৃত সহজ হয়ে থাকে।

তাই আমরা যারা নতুন রয়েছি তাদের উচিত এই Long-tail keyword বাছাই করা। কারন এতে কম্পিটিশন কম থাকে এবং খুব সহজেই চাইলে র‍্যাংক করানো যায়। তাই আমাদের সঠিক পদ্ধতিতে কি-ওয়ার্ড রিসার্চ করতে হবে এবং সঠিকভাবে এসইওতে কাজ করতে হবে।

সর্বশেষ কথাঃ

আজকের আর্টিকালটি ছিল শুধু মাত্র কি-ওয়ার্ডের প্রকারভেদ সম্পর্কে। কিন্তু কিভাবে ভালো কি-ওয়ার্ড খুজে বের করতে হয় অর্থাৎ কি-ওয়ার্ড রিসার্চ করতে হয় সে সম্পর্কে বলা হয় নি। ইনশাআল্লাহ পরবর্তী কোনো আর্টিকালে এর বিশদ আলোচনা করবো।

আজকের আর্টিকালটি কেমন হয়েছে জানাতে ভুলবেন না।

আরো পড়ুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
error: Content is protected !!
Close