ব্লগিং

গুগল এডসেন্স থেকে টাকা আয় করার সবচেয়ে সহজ উপায় ২০২১

গুগল এডসেন্স নিয়ে আমাদের অনেকের মাঝে অনেক ধরনের প্রশ্ন রয়েছে। আবার অনেকে সদ্য জানতে পেরেছে যে গুগল এডসেন্স থেকে টাকা আয় করা যায়। কিন্তু কিভাবে এর থেকে আয় করতে হয় সেই বিষয়টি অনেকেরই অজানা। তাই আজকের পর্যালোচনায় আমি আপনাদের জানাবো যে কিভাবে একটি এডসেন্স একাউন্ট খুলবেন এবং সেখান থেকে টাকা আয় করবেন।

তো বেশি কথা না বলে চলুন জেনে নিই-

গুগল এডসেন্স কি?

সহজ ভাষায় বলতে গেলে গুগল এডসেন্স(Google AdSense) হলো বিজ্ঞাপন প্রচার করার একটি মাধ্যম। আপনার যদি একটি ওয়েবসাইট, ইউটিউব চ্যানেল অথবা মোবাইল এপ্লিকেশন থাকে তাহলে গুগল এডসেন্সের পাবলিশার হয়ে কাজ করতে পারবেন।

এক্ষেত্রে গুগল এডসেন্স এর নিয়ম মেনে আপনার ওয়েবসাইট কিংবা ইউটিউব চ্যানেলকে মনিটাইজ করতে হবে। মনিটাইজ করার পর গুগল এডসেন্সের বিজ্ঞাপনগুলো আপনার ওয়েবসাইটে বা চ্যানেলে দেখাতে পারবেন। আর আপনার ওয়েবসাইটের ভিজিটর কিংবা ইউটিউবের সাবস্ক্রাইবার যদি সেই বিজ্ঞাপনে ক্লিক করে তাহলে গুগল এডসেন্স একাউন্টে আপনার ডলার জমা হয়ে যাবে।

এবং সেই একাউন্টে ১০০ ডলার জমা হলে এডসেন্স একাউন্ট থেকে আপনি সরাসরি আপনার ব্যাংক একাউন্টে টাকাটি নিয়ে আসতে পারবেন। মনে রাখবেন, ১০০ ডলার না হলে কিন্তু আপনি টাকা হাতে পাবেন না। সেটি এডসেন্স একাউন্টেই পরে থাকবে।

গুগল এডসেন্স এর কাজ কি

বিজ্ঞাপন দাতার কাছ থেকে টাকা নিয়ে প্রচারকের মাধ্যমে বিজ্ঞাপন প্রচার করাই হলো গুগল এডসেন্স এর মূল কাজ। আমরা অনেক সময় অনেক ওয়েবসাইট ভিজিট করার সময় কিংবা ইউটিউবে ভিডিও দেখার সময় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দেখতে পাই। ঐ প্রতিষ্ঠানগুলো বিজ্ঞাপন দেখানোর জন্য গুগলকে টাকা দিয়ে থাকে।

এবং গুগলের একার পক্ষে এত বিজ্ঞাপন সঠিক কাস্টমারদের কাছে পৌছানো সম্ভব নয় বলে এডসেন্সের মাধ্যমে প্রচারক দিয়ে বিজ্ঞাপনগুলো প্রচার করিয়ে নেয়। এক্ষেত্রে একটি বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য বিজ্ঞাপন দাতার কাছ থেকে যদি ১ ডলার নেওয়া হয় তাহলে প্রচারককে সর্বোচ্চ ০.৬৮ ডলার দিয়ে দেওয়া হয়।

আপনি যদি ইউটিউব এর হয়ে গুগল এডসেন্সে কাজ করেন তাহলে আপনার বিজ্ঞাপন প্রচারনার জন্য ১ ডলারের জন্য ইউটিউব নিজে ০.৬৮ ডলার পাবে। এবং সেখান থেকে ইউটিউব নিজে ৪৫% রেখে তারপর আপনাকে ৫৫% দিয়ে দিবে।

তো বুঝতেই পারছেন, ইউটিউব দিয়ে গুগল এডসেন্স থেকে টাকা আয় খানিকটা কম হয়। যেখানে ওয়েবসাইট দিয়ে আয় করতে পারবেন ৬৮ ডলার সেখানে ইউটিউবে আয় হবে ৩৭ ডলার।

কিভাবে গুগল এডসেন্স থেকে টাকা আয় করা যায়?

গুগল এডসেন্স কি এবং কিভাবে কাজ করে এই বিষয়ে তো আমরা জানলাম এইবার চলুন আলোচনা করি এখান থেকে কিভাবে টাকা আয় করা যায়।

গুলগ এডসেন্স থেকে টাকা আয় করতে হলে প্রথমেই আপনাকে একটি ওয়েবসাইট কিংবা ইউটিউব চ্যানেল খুলে নিতে হবে। মোবাইল এপ্লিকেশন দিয়েও এডসেন্স থেকে আয় করা যায়। কিন্তু সেটি একটু জটিল প্রক্রিয়া।

আর যেহেতু ইউটিউব দিয়ে গুগল এডসেন্সের আয়ও অনেক কম হয় তাই আমি পরামর্শ দিবো একটি ওয়েবসাইট বানিয়ে কাজ করার জন্য। ওয়েবসাইট বানাতে কিন্তু এখন অনেক টাকার প্রয়োজন হয় না। বরং ২ হাজার টাকার মধ্যে ডোমেইন এবং ভালো একটি হোস্টিং কিনে আপনি নিজে নিজেই ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারেন।

কিভাবে একটি ওয়েবসাইট বানাবো?

যেহেতু গুগল এডসেন্স এর সাথে কাজ করার জন্য ওয়েবসাইটের প্রয়োজন হয়, তাই কিভাবে একটি ওয়েবসাইট বানানো যায় সে বিষয়ে আগে জেনে নেওয়া উচিত।

ভালো মানের ওয়েবসাইট তৈরি করার জন্য আপনার ২টি জিনিসের দরকার হবে। যথাঃ ১।ডোমেইন, ২।হোস্টিং

একটি ডোমেইন এবং একটি হোস্টিং হলেই আপনি ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে খুবই সহজেই একটি ওয়েবসাইট বানিয়ে ফেলতে পারবেন। এবং সেই ওয়েবসাইটে কিছু দিন নিয়মিত পোস্ট করে গুগল এডসেন্স এপ্রোভ করিতে নিতে পারবেন।

এডসেন্স পেতে হলে ওয়েবসাইটে কতটি পোস্ট করতে হবে?

এডসেন্স পেতে হলে ওয়েবসাইটে কতটি পোস্ট করতে হবে তা নির্ভর করে আপনার পোস্টের ধরনের উপর। আপনি যদি আপনার ওয়েবসাইটে খুব ভালো কন্টেন্ট লিখেন এবং সেগুলো ১০০% কপিরাইটমুক্ত হয়, তাহলে ১৫-২০ টা পোস্ট হলেই আপনি এডসেন্স এপ্রোভ পেয়ে যেতে পারেন। আমি আমার এই ওয়েবসাইটে ১৭ টি কন্টেন্ট নিয়ে এডসেন্স এপ্রোভাল পেয়েছিলাম। কিন্তু অনেকে ৩০ থেকে ৫০ টি কন্টেন্ট নিয়েও গুগল এডসেন্স এপ্রোভাল পায় না।

তাই এখানে আপনার কন্টেন্টের ধরনের উপর নির্ভর করে আপনি এডসেন্স পাবেন কিনা। কিন্তু যদি আপনি নিজে নিজেই কন্টেন্ট লিখেন অর্থাৎ অন্য কোনো যায়গা থেকে কন্টেন্ট কপি না করেন এবং রি-রাইট না করেন তাহলে আপনি অবশ্যই খুব তাড়াতারি এডসেন্স এপ্রোভাল পাবেন।

আর্টিকাল গুলো কত শব্দের হলে ভালো হয়?

আপনার ওয়েবসাইটের মূল বিষয়ই হচ্ছে আপনার আর্টিকাল বা কন্টেন্ট। আপনার ওয়েবসাইটে যদি কোয়ালিটিফুল কন্টেন্ট না থাকে তাহলে গুগল আপনাকে কম অগ্রাধিকার দিবে। তাছাড়াও কোয়ালিটি কন্টেন্ট ছাড়া ওয়েবসাইটের কোনো মূল্যই নেই। কেননা কোয়ালিটি কন্টেন্ট না হলে গুগলে রেংক করা কষ্টসাধ্য হয়ে যায়।

ফলে গুগল থেকে ট্রাফিক আশার কোনো সুযোগ থাকে না। আর ট্রাফিক না আসলে আপনার ইনকামও হবে না। আপনি সোশ্যাল মিডিয়া থেকে অল্প ট্রাফিক আনতে পারবেন। কিন্তু, গুগল এডসেন্স চায় যে আপনার ওয়েবসাইটের সকল ট্রাফিক গুগল সার্চ করার মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুক।

আমি বলবো যদি কেবল গুগল এডসেন্সের জন্যই আর্টিক্যাল লিখেন তাহলে সর্বনিন্ম ১০০০ শব্দের আর্টিকাল লিখার চেষ্টা করুন। আর যদি গুগলে সাইট রেংক করিয়ে সেখান থেকে অনেক অনেক ভিজিটর নিয়ে আসার জন্য আর্টিক্যাল লিখেন তাহলে আর্টিকালগুলো ৩০০০+ শব্দের লেখা উচিত।

এখানে জেনে রাখা ভালোঃ ট্রাফিক মানে হচ্ছে ওয়েবসাইটে প্রবেশকৃত ভিজিটর।

গুগল থেকে কিভাবে ভিজিটর নিয়ে আসবো?

গুগল এডসেন্স থেকে টাকা আয় করতে হলে অর্গানিক সার্চ রেজাল্ট থেকে আপনাকে ট্রাফিক নিয়ে আসতেই হবে। তা না হলে এখান থেকে আয় করতে পারবেন না। তাই এটা জানা আপনার জন্য জরুরী যে কিভাবে গুগল অর্গানিক সার্চ রেজাল্ট থেকে ট্রাফিক আনা যায়।

সার্চ রেজাল্ট থেকে ট্রাফিক আনতে হলে আপনাকে এসইও সম্পর্কে একটি পূর্নাঙ্গ ধারনা রাখতে হবে। এসইও(SEO) হলো সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন। অর্থাৎ, সার্চ ইঞ্জিনের প্রথম দিকে যায়গা করে নেওয়ার জন্য ওয়েবসাইটকে যেইভাবে অপ্টিমাইজ করতে হয় তাকেই এসইও বলে।

এসইও করার মাধ্যমে আপনি আপনার ওয়েবসাইটে গুগল সার্চ রেজাল্ট থেকে ট্রাফিক নিয়ে আসতে পারেন। তাই আপনাকে আগে এসইও শিখে নিতে হবে।

অবশ্যই পড়ুনঃ SEO কি এবং কিভাবে ওয়েবসাইটের এসইও করবো?

কত ক্লিকে কত টাকা আয় করা যায় ?

এডসেন্স কখনোই নির্দিষ্ট করে কোনো টাকায় দেয় না। তাই প্রতিটি ক্লিকের জন্যই যে আপনি সমান সংখ্যক অর্থ পাবেন এমনটি হয়। বরং, কত ক্লিকে কত টাকা এটা নির্ভর করে আপনার কিওয়ার্ডের CPC এর উপর।

আপনার কি-ওয়ার্ডের সিপিসি যদি বেশি হয় তাহলে প্রতিটি ক্লিকের জন্য আপনি বেশি বেশি ডলার আয় করবেন। এবং সিপিসি কম হলে আয়ও কম হবে। সিম্পল ব্যাপার।

CPC কী?

CPC এর সম্পূর্ন অর্থ হচ্ছে Cost Per Click. অর্থাৎ সিপিসি বলতে বুঝায় প্রতিটি ক্লিকের কত মূল্য আছে। যদি আপনার কি-ওয়ার্ডের এর CPC $0.50 হয় তাহলে একটি বিজ্ঞাপনে ক্লিক পড়ার জন্য আপনি $0.50 পেয়ে যাবেন।

তাই গুগল এডসেন্স থেকে বেশি বেশি আয় করতে হলে আমাদের বেশি সিপিসি যুক্ত কি-ওয়ার্ড বাছাই করতে হবে। এবং এই কি-ওয়ার্ডের পর্যাপ্ত এসইও করতে হবে।

এখানে জেনে রাখা ভালোঃ কি-ওয়ার্ড হলো যেটি মানুষ গুগল লিখে সার্চ করে।

কত ভিউ হলে কত টাকা আয় হয়?

এটি সম্পূর্ণ নির্ভর করে আপনার CPM এর উপরে। বিভিন্ন দেশের ক্ষেত্রে অথবা কি-ওয়ার্ডের ক্ষেত্রে CPM এর ভিন্নতা দেখা যায়। আপনার CPM যদি অধিক হয়, তাহলে বিজ্ঞাপন ভিউ-এর জন্য আপনি বেশি টাকা পাবেন আর কম হলে অল্প টাকা পাবেন।

যেমনঃ যুক্তরাষ্ট্রের CPM অনেক বেশি আবার বাংলাদেশের টা কম। তাই যুক্তরাষ্ট্র থেকে ভিউ হলে বাংলাদেশ থেকে যত হতো তার চেয়ে একটু বেশি হবে।

CPM কি?

CPM হলো Cost Per Mille এর সংক্ষিপ্ত রূপ। Mille শব্দটি একটি ল্যাটিন শব্দ যার অর্থ হচ্ছে Thousands. অর্থাৎ, এর অর্থ দাঁড়ায় Cost per Thousand impressions.

CPM বলতে বুঝায় প্রতি ১০০০ জন আপনার এড বা বিজ্ঞাপনটি দেখার জন্য গুগল আপনাকে কত টাকা পেমেন্ট করবে।

আপনার CPM যদি হয় $1.00 তাহলে প্রতি ১০০০ টি এড ভিউ এর জন্য আপনি গুগল এডসেন্স থেকে ১ ডলার পাবেন যা বাংলা মুদ্রায় ৮৫ টাকা।

গুগল এডসেন্স এর নিয়ম কি?

গুগল এডসেন্স এর কিছু নিয়ম রয়েছে যেগুলো আপনাকে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে। তা না হলে আপনার গুগল এডসেন্স একাউন্টটি বাতিল হয়ে যেতে পারে।

নিয়মগুলো নিন্মরূপঃ

  1. নিজের ওয়েবসাইটের বিজ্ঞাপনে নিজে ক্লিক করা যাবে না কিংবা কোনো বন্ধুকে বা পরিবারের কাউকে কিংবা চেনা-পরিচিত কাউকে বিজ্ঞাপনে ক্লিক করতে বলা যাবে না।
  2. আপনি আপনার Google AdSense এর ads এমন কোনো পেইজে দেখাতে পারবেন না যেই পেইজটি Google Publisher Policies নিয়ম ভঙ্গ করে।
  3. আপনার সাইটের আচরণ স্বাভাবিক থাকতে হবে। কোনো অস্বাভাবিক আচরণ যেমন pop-under বা pop-up ব্যবহার করা , ইউজারদের redirect করা, অটোমেটিক ফাইল ডাউনলোড হওয়া ইত্যাদি অস্বাভাবিক আচরন থাকলে ঐগুলো ঠিক করতে হবে।
  4. গুগল এডসেন্স কেবল সার্চ ইঞ্জিন থেকে আশা ট্রাফিক পছন্দ করে । তাই চেষ্ঠা করবেন গুগল থেকে অর্গানিকভাবে ট্রাফিক নেওয়ার জন্য।
  5. পিপিসি সাইট থেকে ট্রাফিক কিংবা বট ট্রাফিক নেওয়া যাবে না।
  6. আপনি চাইলে বিভিন্ন উপায়ে পেইড ট্রাফিক নিতে পারেন। কিন্তু অবৈধ উপায়ে ট্রাফিক নেওয়া যাবে না। এবং ট্রাফিকদেরকে বিজ্ঞাপনে ক্লিক করার জন্য উৎসাহিত করা যাবে না।

এইগুলোই মূলত গুগল এডসেন্সের নিয়ম। মনে রাখবেন গুগল কিন্তু আপনার চেয়ে বেশি চালাক। আপনি যদি এখান থেকে কোনো নিয়ম ভঙ্গ করেন তাহলে আপনার একাউন্টটি বাতিল হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে ৯০%

গুগল এডসেন্স পাওয়ার উপায় কি?

গুগল এডসেন্স পাওয়া কোনো কঠিন একটা বিষয় না। একটু সতর্ক থেকে কাজ করলেই আপনি এটি পেয়ে যাবেন। তবুও ওয়েবসাইটে গুগল এডসেন্স পাওয়ার ১০টি উপায় নিচে দেওয়া হলোঃ

১। ওয়েবসাইটের জন্য উচ্চমানের ডোমেইন সিলেক্ট করুন। যেমনঃ (.com, .info, .org )

২। Privacy policyContact UsDisclaimerAbout Us এই পেইজগুলো অবশ্যই ওয়েবসাইটে যুক্ত করুন

৩। সুন্দর একটি মেনু তৈরি করুন

৪। ওয়েবসাইটের ডিজাইন ঠিকঠাক ভাবে করুন।

৫।কমপক্ষে ২৫ টি আর্টিকাল লিখুন।

৬। কন্টেন্ট ১০০% কপিমুক্ত রাখার চেষ্ঠা করুন

৭। কপিরাইট ইমেজ ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন।

৮। আগে অন্য কোনো এড নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে থাকলে তা সরিয়ে ফেলুন।

৯।আর্টিকালগুলো ১০০০ ওয়ার্ডের বেশি লেখার চেষ্ঠা করুন।

১০। সাইটে নিয়মিত এসইও করুন।

আপনি যদি দ্রুত এডসেন্স এপ্রোভাল নিয়ে জানতে চান তাইলে- এখানে ক্লিক করে বিস্তারিত পড়ে ফেলুন

এডসেন্স থেকে টাকা তোলার পদ্ধতি

গুগল এডসেন্স থেকে টাকা তোলার পদ্ধতি খুবই সহজ। এক্ষেত্রে আপনি আপনার ব্যাংক একাউন্টটি গুগলের সাথে এড করে দিলেই মাস শেষে টাকা সরাসরি ব্যাংক-এ চলে আসে।

Wire Transfer সিস্টেম আছে এমন যেকোনো ব্যাংক একাউন্ট আপনি যুক্ত করতে পারেন। কিন্তু, আমার সাজেশন থাকবে ডাচ বাংলা ব্যাংক। ডার্চ বাংলা ব্যাংকে খুব সহজে কোনো ঝামেলা ছাড়াই দ্রুত টাকাটি আপনি পেয়ে যাবেন।

সর্বশেষ নির্দেশনাঃ

ওয়েবসাইটে গুগল এডসেসন্স এপ্রোভাল পাওয়ার আগে এবং পাওয়ার পরে কি কি করবেন এবং করতে হবে তার একটি ছোট দিক-নির্দেশনা নিচে দেওয়া হলোঃ

১। প্রথমে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করুন

২। সেই ওয়েবসাইটে কমপক্ষে ১০০০ শব্দের ২৫-৩০ টি কপিমুক্ত আর্টিকাল পাবলিশ করুন

৩। প্রতিটি আর্টিকালে অন-পেইজ এসইও করুন এবং কিছু কিছু অফ-পেইজ এসইও করুন

৪। গুগল থেকে এবং বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়াটে আপনার আর্টিকালগুলো শেয়ার করে কিছু ভিজটর নিয়ে আসুন। কিন্তু, এডসেন্স এপ্রোভাল পেতে ভিজিটর কোনো ফেক্ট না। আপনার ওয়েবসাইটে ভিজিটর না থাকলেও আপনি এপ্রোভাল পেয়ে যাবেন। কিন্তু সেখান থেকে আয় করতে হলে আপনার ভিজিটর লাগবে

৫। এরপর, সব ঠিকঠাক থাকলে গুগল এডসেন্স এর জন্য আবেদন করুন। মোটামোটি ১০-১২ দিনেই এপ্রুভাল পেয়ে যাবেন।

৬।যদি না পান তাহলে চিন্তার কোনো কারণ নেই। সমস্যা সমাধান করে আবার এপ্লাই করুন। যতবার খুশি আপনি ততবার এপ্লাই করতে পারবেন।

৭। এপ্রোভাল পেয়ে যাওয়ার পর এসইও এর দিকে খুব ভালো করে ফোকাস করুন।

৮। কষ্ট করে হলেও ১০-২০ টা কি-ওয়ার্ড র‍্যাংক করান। যাতে প্রতিমাসে ৫-৬ হাজার ভিজিটর সার্চ ইঞ্জিন থেকে আপনার ওয়েবসাইটে ভিজিট করে।

৯।ভালো সিপিসি যুক্ত কি-ওয়ার্ড বাছাই করুন। যেনো প্রতিটি বিজ্ঞাপনের ক্লিকের জন্য আপনি বেশি টাকা পান।

১০।মানুষের উপকার হয় সাইটে এমন কিছু রাখার চেষ্ঠা করুন।

১১। সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং করুন। যেহেতু মানুষ সোশ্যাল মিডিয়াতে বেশি সময় ব্যয় করতে পছন্দ করে তাই সেখান থেকে ট্রাফিক নিয়ে আশাটা অত্যন্ত সহজ।

১২। এডসেন্স এপ্রোভাল পেয়ে যাওয়ার পর আপনি ২০% আর্টিকাল কপি করতে পারবেন। সেক্ষেত্রে কোনো সমস্যা হবে না।

১৩। আপনার এডসেন্স একাউন্টে যখন ১০ ডলার পূর্ন হবে তখন আপনাকে এড্রেস ভেরিফাই করতে বলা হবে। এক্ষেত্রে আপনার এডসেন্স একাউন্টে একটি নোটিশ দেওয়া হবে।

১৪। তখন আপনার একাউন্টে যেই ঠিকানাটি দেওয়া আছে, সেই ঠিকানায় একটি চিঠি চলে আসবে। এবং সেই চিঠিতে একটি পিন নম্বর থাকবে যেটি দিয়ে আপনার একাউন্ট ভেরিফাই করতে হবে।

১৫। ১০০ ডলার হলে আপনার একাউন্টে একটি ব্যাংক একাউন্ট যুক্ত করে সাইট হবে।

১৬। প্রতি মাসের উপার্জন পরবর্তী মাসের ২০-২৭ তারিখের মধ্যে আপনার ব্যাংকে পেয়ে যাবেন।

১৭। আর অবশ্যই আপনি সবসময় ব্যবহার করেন না এমন জিমেল দিয়ে এডসেন্স-এ এপ্লাই করবেন। কেননা আপনি যদি আপনার ব্যবহৃত জিমেইল দিয়ে এপ্লাই করেন তাহলে পরবর্তীতে সেটি বিক্রি করতে পারবেন না। কারন সেই জিমেইলটি আপনার জন্য গুরুত্বপূর্ন। র

আশা করি নিয়মগুলো ফলো করলে এবং ৬ মাস থেকে ১ বছর প্ররিশ্রম করতে আপনি শুধু গুগল এডসেন্স থেকে মাসে ৮০ হাজার টাকা আয় করতে পারবেন।

যেকোনো প্রশ্ন থাকলে নিচে লিখে জানাতে পারেন অথবা এখানে জয়েন হতে পারেনঃ https://www.facebook.com/groups/techbdtricks

Tags
Back to top button
error: Content is protected !!
Close