টিপস অ্যান্ড ট্রিকস

ফাইবার কি? কিভাবে fiverr একাউন্ট খুলবো ?

আজকের আর্টিকালটি একেবারে নতুন্দের জন্য এবং আজকে আমি দেখাবো কিভাবে ফাইভারে একাউন্ট খুলবেন। এবং ফাইবার নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো। তো চলুন প্রথমে জেনে নিই, ফাইভার কি?

ফাইভার কি?

ফাইবার হলো একটি জনপ্রিয় মার্কেটপ্লেস। এখানে ফ্রীলান্সার বা আপওয়ার্কের এর মতো কনটেস্ট ও বিড করতে হয় না। বায়াররা এখানে সেলারদের অর্ডার দিয়ে থাকে এবং বায়ার রিকোয়েস্ট এর মাধ্যমে অর্ডার নেয়া যায়।

এখানে যারা সেলার তারা তাদের সার্ভিস সম্পর্কে উল্লেখ করে থাকে। যাকে ফাইভারের ভাষায় বলা হয় গিগ। এবং যারা বায়ার(কিছু কিনতে আগ্রহী অর্থে) তারা গিগগুলো থেকে একটি পছন্দ করে এবং ডলার পে করে দেয়।

তারপর সেলার সার্ভিসটি সম্পূর্ন করে।এভাবেই ফাইভার এ বেচাকেনা সম্পূর্ন হয়।আপনার যদি কোনো অনলাইন সার্ভিস থাকে এথবা কোনো সার্ভিসের প্রয়োজন হয় তাহলে আপনি ফাইভারে একাউন্ট খুলে সেখান থেকে সুবিধা পেতে পারেন।

ফাইভারে একাউন্ট খুলার নিয়মঃ

তাই ফাইভারে কাজ করতে হলে প্রথমে একটি এক্যাউন্ট ওপেন করতে হবে।

একাউন্ট ওপেন করতে ক্লিক করুনঃ

তারপরে আমাদের স্ক্রিনএ এমন একটি পেজ আসবে। আমরা চাইলে ৩টি মাধ্যমে একাউন্ট খোলতে পারি। তবে সবচেয়ে ভালো হয় গুগল দিয়ে একাউন্ট খুললে। আমরা এখন গুগল দিয়ে একাউন্ট খোলবো।
বিঃদ্রঃ একটি কম্পিউটার দিয়ে একটি একাউন্ট খুলতে হয়

কন্টিনিউ উইথ গুগল এ ক্লিক করবো। তারপরে আমার যেই ইমেইল একাউন্ট দিয়ে ফাইভার একাউন্ট খোলতে চাই সেই ইমেইল একাউন্ট দিবো। তারপরে আমাদের ফাইবার থেকে একটি ভেরিভিকেশন মেইল দিবে ফাইভের সেই লিংক এর মাধ্যমে আমাদের ইমেইল অক্কোউন্টটি ভেরিফাইড করে দিবো।কন্টিনিউ উইথ গুগল এ ক্লিক করবো। তারপরে আমার যেই ইমেইল একাউন্ট দিয়ে ফাইভার একাউন্ট খোলতে চাই সেই ইমেইল একাউন্ট দিবো। তারপরে আমাদের ফাইবার থেকে একটি ভেরিভিকেশন মেইল দিবে ফাইভের সেই লিংক এর মাধ্যমে আমাদের ইমেইল অক্কোউন্টটি ভেরিফাইড করে দিবো। সেই সাথে ফোন নম্বর দিয়ে ভেরিফাইড করে দিবো। তারপরে আমাদের একটি ইউজার নাম ও পাসওয়ার্ড দিতে হবে। পাসওয়ার্ড টি অবশ্যই স্ট্রং পাসওয়ার্ড হতে হবে।সেই ক্ষেত্রে পাসওয়ার্ড এর ধরণ কেমন হবে সেটা ফাইবার বলে দিবে।তারপরে আপনি আপনার নাম দিবেন। আপনি কি সার্ভিস প্রোভাইড করবেন সেই ক্ষেত্রে ওই কেটাগরি সিলেক্ট করে দিবেন। তারপরে আপনি যেই যেই ভাষায় বায়ারদের সাথে কোনভার্সন করতে পারবেন সেই ভাষা গুলো সিলেক্ট করেদিবেন। এভভাবেই আপনি আপনার ফাইভের একাউন্ট ওপেন করতে পারবেন।

কেনো ফাইভারে একাউন্ট খুলবেন?

ফাইবার হলো একটি অনলাইন মার্কেটপ্লেস যেখানে প্রতিনিয়ত হাজার হাজার সার্ভিস বিক্রি করা হচ্ছে। আপনার যদি অনলাইনে কোনো সার্ভিস থাকে তাহলে আপনি ফাইভার একাউন্ট খুলে সেখানে আপনার সার্ভিস বিক্রি করতে পারেন।

যেমন ধরুন, আপনার একটি অনলাইন সার্ভিস রয়েছে। মনে করুন, আপনি অনলাইনে আর্টিকাল লিখার সার্ভিস প্রোভাইড করে থাকেন বা করতে চাচ্ছেন।

কিন্তু, আপনার কাছে যদি কোনো ক্রেতা বা ক্লায়েন্ট না থাকে তাহলে তাহলে কার কাছে আপনার আর্টিকাল বিক্রি করবেন? তাই প্রথমে আপনাকে আপনার সার্ভিসের ক্লায়েন্ট খুজে বের করতে হবে। আর, অনলাইনে ক্লায়েন্ট খুজার জন্য আপনাকে যেতে হবে যেকোনো অনলাইন মার্কেটপ্লেসে।

এখানেই শেষ নয়।

অনেক ধরনের মার্কেটপ্লেসই আছে। যেমনঃ

  • freelancer.com
  • upwork.com
  • peopleperhour.com

কিন্তু সকল মার্কেটপ্লেস থেকে ফাইভাবে কাজ বিক্রি করে অপেক্ষাকিত সহজ। তাই আপনার ফাইভাবে একাউন্ট খুলা উচিত।

ফাইভার কাদের জন্য?

যাদের অনলাইনে কিছু না কিছু করার দক্ষতা আছে এবং ভাবছেন অন্য মানুষদের সেসব দক্ষতার উপর কাজ করে দিয়ে অর্থ উপার্জন করবে, তাহলে ফাইভার হচ্ছে তাদের জন্য।

অনলাইনের অনেক প্রকার সার্ভিস রয়েছে, আপনি চাইলে সার্ভিসগুলোর বিষয়ে পড়াশোনা করে দক্ষ হয়ে আপনিও সার্ভিসগুলো প্রভাইড করতে পারেন।

যেমনঃ অনলাইনে গ্রাফিক্স ডিজাইনের একটি সার্ভিস রয়েছে । তো যারা গ্রাফিক্স ডিজাইন পারে তারা ফাইভারে কাস্টমারদের গ্রাফিক্স ডিজাইন করে দিয়ে অনেক টাকা আয় করছে। তো আপনি চাইলে গ্রাফিক্স ডিজাইনের কাজ শিখে ফাইভারের মাধ্যমে কাজ করে আয় করতে পারেন।

গ্রাফিক্স ডিজাইন ছাড়াও অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলোতে হাজারো রকমের সার্ভিস রয়েছে । ফাইভারে একাউন্ট খুলার পরই আপনি ভালোভাবে বুঝতে পারবেন। তো মূলত যারা ফ্রিলান্সিং করতে চায় বা করে ফাইভার তাদের জন্যই।

অনলাইনে কোনো সার্ভিস থাকলেই কি আমি ফাইভারে কাজ করতে পারবো?

অনলাইনে কোনো সার্ভিস থাকলেই কি আমি ফাইভারে কাজ করতে পারবেন কি না তা নির্ভর করে আপনার কাজের দক্ষতার উপর। এমন অনেকেই আছে যাদের অনলাইনে খুব কম পরিমাণের সার্ভিস রয়েছে কিন্তু সেখান থেকে অনেক উপার্জন করছে আবার অনেকে আছে যাদের অনেক অনেক সার্ভিস থাকার শর্তেও ইনকাম হচ্ছে না।

যেহেতু আপনার আগে ফাইভারে সারা বিশ্ব থেকে অনেক অনেক মানুষ কাজ করছে সেহেতু কমপিটিশন করে কাজ পেতে আপনাকে একটু যুদ্ধ করতেই হবে। কিন্তু, আপনার সার্ভিস্টি যদি ভালো হয় তাহলে খুব সহজেই ফাইভারের মাধ্যমে আপনি আপনার ক্যারিয়ার দাড় করাতে পারেন।

সর্বশেষ কথাঃ

আপনাদের মতামতসহ যেকোনো অভিযোগ চাইলে আমাদের জানাতে পারেন । আশা করি আমরা সেটা নিয়ে কাজ করবো। আর যদি কোনো বিষয়ে জানতে আগ্রহী হয়ে থাকেন তাহলেও আমাদের জানাবেন নিচে কমেন্ট করে।

পরিশেষে, আজকের আর্টিকাল্টি কেমন হয়েছে তা জানাতে ভুলবেন না।

ধন্যবাদ। ভালো থাকবেন।

Tags

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close